1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
হৃদরোগীদের জন্য রোজার বিধি-বিধান: কী খাবেন, কী খাবেন না? - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
এআই চ্যাটবটে কখনোই যেসব সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না ঝিনাইদহ মহেশপুরে বজ্রপাতে গৃহবধূ নিহত মেসি ও এএফএ’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণা মামলা ঘিরে হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের হারাম উপার্জনে ইবাদত কবুল হয় না ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ

হৃদরোগীদের জন্য রোজার বিধি-বিধান: কী খাবেন, কী খাবেন না?

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫
  • ১৫৫ বার পঠিত
রোজার বিধি-বিধান

সাদিকা জাহান

হৃদরোগীদের মধ্যে যাদের হৃদপিন্ডের পাম্পিং ক্ষমতা ৩০% এর নিচে নেমে যায়, তাদের জন্য রোজা না রাখাই ভালো। তবে, যদি পাম্পিং ক্ষমতা ৩০% এর বেশি হয় এবং কিডনি সমস্যা বা ডায়াবেটিসের মতো জটিলতা না থাকে, তাহলে রোজা রাখতে তেমন বাধা নেই।

ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. মাহবুবর রহমান এসব পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানান, যারা হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস দুটোই বহন করছেন, তাদের রোজায় বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

ইফতারে তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে সহজপাচ্য ও নরম খাবার খাওয়া উচিত, সঙ্গে কিছু ফলমূল রাখা ভালো, যাতে হৃদযন্ত্রের উপর চাপ না পড়ে। তারাবীর নামাজের পর নির্ধারিত ওষুধ সঠিকভাবে গ্রহণ করা প্রয়োজন। সকালে যে ওষুধগুলো খাওয়া হতো, সেগুলো সেহরির সময় নিতে হবে।

রমজান চলাকালীন যদি নতুন করে কারো হৃদরোগের সমস্যা দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বুকে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হলে ইসিজি করে নিশ্চিত হতে হবে যে এটি হৃদরোগ নাকি গ্যাসের সমস্যা।

যারা একইসাথে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের ইনসুলিনের ডোজ রোজার সময় কিছুটা সামঞ্জস্য করতে হবে। সাধারণ সময়ে সকালে ভারী ডোজ এবং রাতে হালকা ডোজ নেওয়া হয়, তবে রোজার সময় এটি পাল্টে গিয়ে বিকেলের দিকে বেশি ও সকালে কম ডোজ নিতে হয়। পাশাপাশি, অন্যান্য ওষুধের মাত্রাও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কমানো উচিত, যাতে রক্তের শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে না যায়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..